মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্বাগত বাণী

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে। শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি  দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব। প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ১০টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিটিভি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 

 

বিটিভি টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রতিদিন ১৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আর স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা দর্শকদের কাছে নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান ও সংবাদ পৌঁ‌ছে দিচ্ছে। দু’টি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র ও ১৪টি রিলে স্টেশনের মাধ্যেমে তা’ দেশব্যাপী সম্প্রচারিত হয়। ঢাকায় এর সদর দফতর ও প্রধান কেন্দ্র অবস্থিত। বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে স্থানীয়ভাবে নির্মিত পৃথক অনুষ্ঠানমালা প্রতিদিন ১২ ঘন্টা সম্প্রচারিত হচ্ছে।

 

২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার শুরু করে। ফলে বিটিভির সম্প্রচার এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দর্শকদের কাছে পৌঁ‌ছে যাচ্ছে।  বিটিভি ওয়ার্ল্ড ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন স্যাটেলাইট সম্প্রচার করে যাচ্ছে।

 

দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ এলাকা এবং ৯৭ ভাগ জনগণ বিটিভির সম্প্রচার কাভারেজের  আওতাভুক্ত। অনুষ্ঠানমালার শতকরা ৯৩.২ ভাগই নিজস্বভাবে নির্মাণ করে থাকে বিটিভি, বাকিটা বাইরের নির্মাতাদের কাছ থেকে নেয়া হয়। জনস্বার্থে অনুষ্ঠানমালার শতকরা ০৯.৪২ ভাগ জুড়ে থাকে কৃষি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা, নারী ও শিশু, শিক্ষা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াবলী। অনুষ্ঠানের শতকরা ১৪ ভাগ খবর, ১৪.১৩ ভাগ উন্নয়ন ও শিক্ষা, ১৯.৯১ ভাগ বিনোদন ও সংস্কৃতি এবং বাকি ১১.০৬ ভাগ অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্মিত হয়। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সম্প্রচার ছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া মাঠ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে বিটিভি।


Share with :

Facebook Facebook