কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬ এ ১০:৪৪ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০৩-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২৩-০৫-২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম শিল্পকে কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে দেখলে হবে না, এটি রাষ্ট্র ও সমাজ পুনর্গঠনের অত্যন্ত দায়িত্বশীল শিল্প। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমকে রাষ্ট্র ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। তাই এই শিল্পের বিকাশে নিয়ন্ত্রণের বদলে সহযোগিতামূলক সংস্কৃতি বা ‘ফ্যাসিলিটেশন’ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।রবিবার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব এবং সম্পাদক পরিষদের যৌথ আয়োজনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নিউ এজ সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নোয়াব সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ডেইলি স্টার সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহফুজ আনাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, গণমাধ্যম সংস্থার কমিশন প্রধান কামাল আহমেদ, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন। সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গণমাধ্যমের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে চায় না। বরং এই শিল্পের বিকাশে সরকার একটি ‘হেলদি রেজুলেশন’ বা সুস্থ নীতিমালা তৈরি করতে চায়। এ লক্ষ্যে সকল অংশীজনের সমন্বয়ে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বাধীন ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠন।’ উপাত্তহীন সংবাদের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, তথ্যের স্বাধীনতা মানে যেমন খুশি তেমন প্রচার নয়। বড় বড় সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলোকে উপাত্তহীন বা ধারণাভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি থেকে বিরত থাকতে হবে। তথ্যকে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ ও ‘ক্লিন ইনফরমেশন’ হতে হবে। সভায় আলোচকরা গণমাধ্যমের আর্থিক সচ্ছলতা, পেশাগত উৎকর্ষতা ও নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।